Image Not Found!
ঢাকা   ৩০ নভেম্বর ২০২২ | ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ

  দেশজুড়ে ওএমএস সুবিধায় সাড়া,স্বল্পমূল্যে চাল-আটা পেয়ে খুশি কার্ডধারীরা (2)        দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও বাজার স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার-ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার শফিকুর রেজা বিশ্বাস (94)        সুইস রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য ভুল ছিলো,অন্যরকম জয় পেলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন (3)        তারাকান্দায় বায়তুল আমান জামে মসজিদ ও নূরুল উলুম কওমী মাদ্রাসার কমিটি গঠিত (89)        আগামী মাসে সব স্বাভাবিক হবে-পরিকল্পনামন্ত্রী (2)        শিক্ষক বাতায়নে দেশ সেরা অনলাইন পারফর্মার রেহেনা আক্তার ঝর্ণা (94)        ময়মনসিংহে নারীদের জন্য বিশেষ আয়োজন ‘নিহার লাভলী টাইম উইথ তানজিন তিশা’ (94)        বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ করাই আমার লক্ষ্য-প্রধানমন্ত্রী (3)        তারাকান্দায় ভূমিহীনদের জন্য তৈরী প্রধানমন্ত্রীর ২৬ হাজার ২ শত ২৯ টি গৃহের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান পালিত (94)        বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর (2)      

দেশীয় সিনেমায় মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী

ফজলে এলাহি ঢালীঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি তো সিনেমা হলে যেতে পারি না। কিন্তু প্লেনে যখন দেশের বাইরে যাই তখন দেশি সিনেমা দেখি। প্রোডাকশনগুলো খুব ভালো লাগে। আবার কেউ যদি পেনড্রাইভে ছবি পাঠান সেটাও দেখি। ভালোই লাগে সিনেমা দেখতে। আমাদের দেশে সুপ্তপ্রতিভা আছে। তাদের কাজ দেখে মুগ্ধ হই।

বুধবার (২৩ মার্চ) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার-২০২০ প্রদান অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সিনেমা শিল্পটা অ্যানালগ সিস্টেমে থেকে গিয়েছিল। সেটাকে আমি আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন করতে চাই। আমাদের জেলা-উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত মানুষের বিনোদনের একটা মাধ্যম হিসেবে সিনেমাকে দেখতে চাই। আমি চাই আমাদের জেলা-উপজেলায় সব জায়গায় সিনেপ্লেক্স নির্মাণ হোক। সে ক্ষেত্রে আমি সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলাম। মাঝখানে ভাটা পড়ে যাওয়ায় কেউ উদ্যোগী ছিল না।।

তিনি বলেন, শুধু বিনোদন নয়, বিনোদনের সাথে সাথে আমাদের সমাজ সংস্কারে, মানুষকে শিক্ষা দেওয়া বা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করা এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চলচ্চিত্রশিল্পের সঙ্গে জড়িতদের আমি আহ্বান জানাব।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এফডিসি গড়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের চলচ্চিত্রশিল্প এগিয়ে যাক। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি। যে তরুণরা সিনেমা শিল্পে এগিয়ে এসেছেন আমি বিশেষভাবে তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। এরাই তো ভবিষ্যৎ।’

তিনি বলেন, আমি সবসময় চেষ্টা করেছি দেশে সিনেমাশিল্প যেন শেষ হয়ে না যায়। ১৯৯৬ সালের সরকারে আসার পরে যা যা করা দরকার সবই করেছিলাম। (ক্ষমতা থেকে চলা যাওয়ার পর) আবার দেখলাম (সিনেমা) পিছিয়ে গেছে। পরবর্তীতে উদ্যোগ নিয়েছিলাম ভালো একটা কমপ্লেক্স তৈরি করার। সেটার নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে।

এ সময় অসহায় শিল্পীদের জন্য কল্যাণ তহবিল নিয়েও কথা বলেন তিনি। ‘শিল্পী-কলাকুশলীদের জন্য একটা ট্রাস্ট করে দিয়েছি। যারা বিত্তবান তারা এই ফান্ডে সাহায্য করবেন। আমি আহ্বান জানাচ্ছি’- যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দুপুর ১২টার দিকে শুরু হয় পুরস্কার প্রদান। অভিনেত্রী আনোয়ারার হাতে আজীবন সম্মাননা তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে এর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। তবে শারীরিক অসুস্থতার জন্য নিজে উপস্থিত হতে পারেননি আনোয়ারা। তার হয়ে আজকের আয়োজনের সভাপতি তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের হাত থেকে পুরস্কার নেন আনোয়ারার মেয়ে মুক্তি।

আনোয়ারাকে মঞ্চে না দেখে কারণ জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। অভিনেত্রী অসুস্থ জানতে পেরে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ আনোয়ারা আসতে পারেননি। আমি জানতাম না যে আনোয়ারা অসুস্থ। শুনে খুব দুঃখ পেলাম। তার রোগমুক্তি কামনা করি।’

এ সময় কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারার যে কোনো সহযোগিতায় পাশে থাকার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দৈনিক আজকের ময়মনসিংহ।