Image Not Found!
ঢাকা   ৩০ নভেম্বর ২০২২ | ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ

  দেশজুড়ে ওএমএস সুবিধায় সাড়া,স্বল্পমূল্যে চাল-আটা পেয়ে খুশি কার্ডধারীরা (2)        দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও বাজার স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার-ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার শফিকুর রেজা বিশ্বাস (94)        সুইস রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য ভুল ছিলো,অন্যরকম জয় পেলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন (3)        তারাকান্দায় বায়তুল আমান জামে মসজিদ ও নূরুল উলুম কওমী মাদ্রাসার কমিটি গঠিত (89)        আগামী মাসে সব স্বাভাবিক হবে-পরিকল্পনামন্ত্রী (2)        শিক্ষক বাতায়নে দেশ সেরা অনলাইন পারফর্মার রেহেনা আক্তার ঝর্ণা (94)        ময়মনসিংহে নারীদের জন্য বিশেষ আয়োজন ‘নিহার লাভলী টাইম উইথ তানজিন তিশা’ (94)        বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ করাই আমার লক্ষ্য-প্রধানমন্ত্রী (3)        তারাকান্দায় ভূমিহীনদের জন্য তৈরী প্রধানমন্ত্রীর ২৬ হাজার ২ শত ২৯ টি গৃহের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান পালিত (94)        বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর (2)      

করোনায় মারা গেছেন প্রশাসন ক্যাডারের ২৫ কর্মকর্তা

স্টাফ রিপোর্টারঃ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের ২৫ জন কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। গত বছরের ৬ এপ্রিল প্রথম কোনো ক্যাডার হিসেবে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান ২২তম ব্যাচের কর্মকর্তা জালাল সাইফুর রহমান। যিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক ছিলেন।

এদিকে সর্বশেষ ২৫তম ক্যাডার হিসেবে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) মারা গেলেন একই ব্যাচের কর্মকর্তা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবুল খায়ের মো. মারুফ হাসান।

জানা গেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ছয় দিনে মারা গেছেন তিন কর্মকর্তা। এর মধ্যে একজন অতিরিক্ত সচিব, একজন যুগ্ম সচিব ও একজন উপসচিব। এ নিয়ে গত এক বছরে প্রশাসন ক্যাডারের মোট ২৫ জন কর্মকর্তা করোনায় মারা গেলেন। মারা যাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে ১৪ জন কর্মরত ছিলেন। বাকি তিনজন অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) এবং আটজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এ ছাড়া এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন হাজারখানেক কর্মকর্তা।

প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (বাসা) কাছ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বর্তমানে প্রশাসন ক্যাডারে মোট কর্মকর্তা ৬ হাজার ৩২৭ জন।

 যেসব কর্মকর্তা মারা গেছেনঃ
উপসচিব জালাল সাইফুর রহমান, আবুল খায়ের মো. মারুফ হাসান, প্রতিরক্ষা সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী, বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গৌতম আইচ সরকার, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ফখরুল কবীর, পরিকল্পনা কমিশনের যুগ্ম প্রধান লুৎফর রহমান তরফদার, তথ্য কমিশনের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলাম খান, যুগ্ম সচিব খন্দকার অলিউর রহমান, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য নাসিরউদ্দিন আহমেদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব লিয়াকত আলী, সিনিয়র সহকারী সচিব এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ কে এম রফিক আহম্মদ ও যুগ্ম সচিব শামস ই আরা বিনতে হুদা।

অন্যদিকে পিআরএল অবস্থায় মারা যান অতিরিক্ত সচিব তৌফিকুল আলম, অতিরিক্ত সচিব নূর হোসেন তালুকদার ও যুগ্ম সচিব খুরশীদ আলম।

এছাড়া অবসর থাকা অবস্থায় মারা যান সাবেক সচিব বজলুল করিম চৌধুরী, সাবেক যুগ্ম সচিব সামছুল কিবরিয়া চৌধুরী, আ. রশিদ, মোহাম্মদ আলী (১৯৭০ ব্যাচ), ইসহাস ভূইয়া (১৯৭৩ ব্যাচ), সরওয়ারী আলম (১৯৭০ ব্যাচ), ওয়াজেদ আলী খান (৮১ ব্যাচ) ও তপন কুমার সরকার (৮৫ ব্যাচ)।

এছাড়া গত বছরের ২১ জুলাই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব নরেন দাস। আর গত আগস্টে মারা যান আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সাবেক সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক।

বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (বাসা) এর সভাপতি ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কবির বিন আনোয়ার বলেন, প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের তো কাজ করতেই হচ্ছে। উপায় নেই। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া কেউ অসুস্থ হলে যেন চিকিৎসা পায়, সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের সুযোগ বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের সঙ্গেও যোগাযোগ বৃদ্ধি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর যাঁরা মারা যাচ্ছেন, তাঁদের পরিবারকে যথাসাধ্য সহায়তা করা হচ্ছে।